ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় নিখোঁজের দুই দিন পর ডোবা থেকে উদ্ধার হওয়া মো. নায়েব আলীর হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (২৯ আগস্ট) সকালে কসবা সুপার মার্কেটের সামনে এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। এতে উপজেলার গোপীনাথপুর ইউনিয়নের সীমান্তঘেঁষা ধজনগর গ্রামের সর্বস্তরের মানুষসহ বিভিন্ন সামাজিক ও পেশাজীবী শ্রেণির লোকজন অংশ নেন।
মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা নায়েব আলী হত্যাকাণ্ডের দ্রুত রহস্য উদ্ঘাটন, প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন।
এ সময় বক্তব্য দেন উপজেলা যুবদল সদস্য সোহেল আহমেদ মিলন, অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য শফিকুল ইসলাম, মনির হোসেন, গোলাম মোস্তফা, পল্লী চিকিৎসক মো. কাজল মিয়া ও নিহতের ছেলে মো. শাহজালাল পলাশ প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, নায়েব আলী ছিলেন সহজ-সরল ও শান্তিপ্রিয় মানুষ। তার এমন মৃত্যুতে পরিবার ও এলাকাবাসী গভীরভাবে মর্মাহত। ঘটনার কয়েক দিন পেরিয়ে গেলেও প্রকৃত অপরাধীরা শনাক্ত ও গ্রেপ্তার না হওয়ায় নিহতের পরিবার উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছে। তারা দ্রুত তদন্ত শেষ করে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান।
উল্লেখ্য, গত ২১ আগস্ট কসবা উপজেলার গোপীনাথপুর ইউনিয়নের ধজনগর এলাকায় নিখোঁজের দুই দিন পর একটি ডোবা থেকে ৬০ বছর বয়সী নায়েব আলীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। স্থানীয়রা ডোবায় মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর দিলে কসবা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
নিহত নায়েব আলী ধজনগর গ্রামের মৃত আবদুর রহিমের ছেলে। তিনি গোপীনাথপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
এ বিষয়ে কসবা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আলী মোহাম্মদ রাশেদ বলেন, ঘটনাটির তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন এবং সংশ্লিষ্টদের শনাক্ত করতে প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।