1. admin@janapadnews24.com : নিজস্ব প্রতিবেদক :

ট্রাফিক স্কুলে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও কর্মশালা অনুষ্ঠিত

রিপোটারের নাম
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৬৯ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
৭৭

প্রেস বিজ্ঞপ্তি।।

ট্রাফিক এন্ড ড্রাইভিং স্কুল টিডিএস এ ৩য় বারের মত পুলিশ সদস্যদের নিয়ে অনুষ্ঠিত হলো “সবার আগে বাংলাদেশ” কর্মশালা।
​জাতীয় রাজনীতির ঐতিহ্যগত বিভাজন দূর করে মেধাভিত্তিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও প্রগতিশীল রাষ্ট্র গঠনের বার্তা নিয়ে অনুষ্ঠিত হলো ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক বিশেষ আলোচনা সভা। বর্তমান সরকারের দেশ গঠনের এই স্লোগানকে উপজীব্য করে ট্রাফিক স্কুলে উক্ত সভার আয়োজন করা হয়।
​আলোচনা সভায় আয়োজক ও প্রবন্ধ উপস্থাপক মোহাম্মদ আব্দুল হালিম অতিরিক্ত ডিআইজি, ট্রেনিং বলেন, কোনো একক দল বা গোষ্ঠীর স্বার্থ নয়—ব্যক্তি ও দলের উর্ধ্বে দেশের স্বার্থকে স্থান দেওয়াই ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ মূলনীতির আসল দর্শন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষিত “আমার আগে আমরা, আমাদের আগে দেশ। ক্ষমতার আগে জনতা, সবার আগে বাংলাদেশ”—এই স্লোগানটি কেবল একটি বক্তব্য নয়, বরং ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের একটি গঠনমূলক রূপরেখা।
প্রশিক্ষণ প্রধান তার প্রবন্ধে ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরা কিভাবে এই স্লোগানকে মনে-প্রাণে ধারণ করে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে তার একটি রুপরেখা উপস্থাপন করেন এবং ট্রাফিক এন্ড ড্রাইভিং স্কুল টিডিএস এর ৮০ জন বিভিন্ন পদবীর পুলিশ সদস্যদের নিয়ে কর্মশালার আয়োজন করেন।
​কর্মশালায় উপস্থিত পুলিশ সদস্যদের সামনে প্রশিক্ষণ প্রধান বিদ্যমান সময়ের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ইতিহাস, মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং ফ্যসিজম আবেগকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করার ফলে সমাজে গভীর বিভাজনের সৃষ্টি হয়েছে। অথচ মুক্তিযুদ্ধ হলো সমগ্র দেশের মানুষের সম্মিলিত সংগ্রাম এবং ধর্ম মানুষের আত্মিক শক্তির স্থান—কোনোটিই রাজনৈতিক হাতিয়ার হতে পারে না। এই দ্বিমুখী সংঘাতের বিপরীতে বর্তমান জনতার সরকার একটি মধ্যপন্থী, উদার ও বহুমতের সমন্বয়কারী শক্তি হিসেবে উপস্থাপন করছে, যার মূল ভিত্তি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের জাতীয়তাবাদী দর্শন।
​সভায় মূল আলোচনায় যেসব বিষয় গুরুত্ব পায়:
​মেধাভিত্তিক কর্মসংস্থান: কোটাভিত্তিক ব্যবস্থার বদলে যোগ্যতা ও মেধার ভিত্তিতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে বৈষম্যহীন সমাজ গঠন।
​সৃজনশীল রাজনীতি: উত্তরাধিকারভিত্তিক স্মৃতিচর্চা ছেড়ে ভবিষ্যৎমুখী, নীতিভিত্তিক ও প্রতিযোগিতামূলক উন্নয়ন নীতি গ্রহণ।
​প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার: প্রতিহিংসামূলক রাজনীতির অবসান ঘটিয়ে ভিন্নমতকে শক্তি হিসেবে বিবেচনা করা এবং প্রাতিষ্ঠানিক ও অর্থনৈতিক মুক্তি সুনিশ্চিত করা।
​আলোচকগণ জোর দিয়ে বলেন, আজকের মূল চ্যালেঞ্জ হলো অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং গণতান্ত্রিক চর্চার পুনর্গঠন। অতীত বিভাজন থেকে বেরিয়ে এসে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ চেতনাকে ধারণ করে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও দেশপ্রেমভিত্তিক সংস্কৃতি গড়ে তোলাই এখন সময়ের মূল দাবি।
​অনুষ্ঠানে টিডিএসের সদস্য, শিক্ষক এবং প্রশিক্ষনার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ