কসবায় নারী সমাবেশ অনুষ্ঠিত

রিপোটারের নাম
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬
  • ১১ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

অধ্যাপক শেখ কামাল উদ্দিন।।

জেলা তথ্য অফিস ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ব্যবস্থায়াপনায় GPMS কর্মপরিকল্পনার আওতায় জুলাই-সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ম প্রান্তিকে প্রচার কার্যক্রম বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মঙ্গলবার ১১ আগস্ট জেলার কসবা উপজেলার রামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নারী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

কসবা উপজেলার নির্বাহী অফিসার মো: ছামিউল ইসলাম এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে ভিডিও কলে উপস্থিত ছিলেন মোঃ আবদুল জলিল, মহাপরিচালক, গণযোগাযোগ অধিদপ্তর, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কসবা উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সদানন্দ পাল, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মোহাম্মদ আলমগীর মিয়া।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন দীপক চন্দ্র দাস, তথ্য অফিসার, জেলা তথ্য অফিস, ব্রাহ্মণবাড়িয়া।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি মোঃ আবদুল জলিল, মহাপরিচালক, গণযোগাযোগ অধিদপ্তর, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়, ভার্চ্যুয়ালী অংশগ্রহণ করে বলেন, গত ১০ মার্চ ২০২৬-এ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের হতদরিদ্র ও নারীপ্রধান পরিবারগুলোর জন্য ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। ঢাকার বনানীর কড়াইল বস্তি সংলগ্ন মাঠে এই প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক সূচনা করা হয়। যার মাধ্যমে প্রাথমিকভাবে ১৪টি উপজেলা ও এলাকার ৩৭,৫৬৭ জন উপকারভোগীকে প্রতিমাসে ২,৫০০ টাকা করে সরাসরি আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের একজন নারী সদস্যকে এই কার্ডের আওতায় আনা হবে, যাতে তারা স্বল্পমূল্যে খাদ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সংগ্রহ করতে পারেন। জাতীয় পর্যায়ে সমাজসেবা বিভাগ, জেলা প্রশাসন ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে সম্ভাব্য সুবিধাভোগীদের তালিকা প্রস্তুতের কাজ চলৃান আছে। জেলার বাঞ্ছারামপুর পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ড এর আসাদ নগরে ৭৭৬ জনকে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান করা হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন নারীপ্রধান পরিবারগুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে তথ্য যাচাই করছে। ২০২৬ সালের মার্চ ও এপ্রিল মাস থেকে কৃষি মন্ত্রণালয় পরীক্ষামূলকভাবে এই কর্মসূচির বাস্তবায়ন শুরু করে। ১৪ এপ্রিল ২০২৬ (পহেলা বৈশাখ) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান টাঙ্গাইলে আনুষ্ঠানিকভাবে বহুল প্রতীক্ষিত ‘কৃষক কাজী বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেছেন। পরীক্ষামূলকভাবে ১০টি জেলার ১১টি উপজেলার ২২,০৬৫ জন কৃষকের মধ্যে এই কার্ড বিতরণ শুরু হয়েছে, যার মাধ্যমে বীজ, সার ও ঋণে ভর্তুকিসহ ডিজিটাল সেবা নিশ্চিত করা হবে। সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে কৃষকদের একটি ডিজিটাল পরিচয় ব্যবস্থ্যর আওতায় এনে সার, বীজ, কৃষিঋণ, ভর্তুকি ও অন্যান্য কৃষি সহায়তা সরাসরি তাদের কাছে পৌঁছে দেয়া। এটি পাইলট প্রকল্প আকারে চালু হয়েছে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া এখনো চালু হয়নি।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ছামিউল ইসলাম এর সমাপনী বক্তব্য পেশ করেন।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ