ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসনে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন বিএনপি নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী নাছির উদ্দীন হাজারী

মোহাম্মদ শাখাওয়াৎ হোসাইন
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৩৩২ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া) সংসদীয় আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন বিএনপি নেতা নাছির উদ্দীন হাজারী। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে তার প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নেন।

দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সিদ্ধান্তের প্রতি সম্মান জানিয়ে এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসনে বিএনপির চূড়ান্ত মনোনীত প্রার্থী মুশফিকুর রহমানকে সমর্থন জানিয়ে তিনি এ সিদ্ধান্ত নেন। এতে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

প্রার্থিতা প্রত্যাহারের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নাছির উদ্দীন হাজারী বলেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এর রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে রাজনীতি করে আসছেন। তিনি এর আগে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় নেতা এবং জেলা বিএনপির সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন।

তিনি আরও বলেন, সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করার প্রত্যয় নিয়ে তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ ও জমা দিয়েছিলেন। তবে দলের বৃহত্তর স্বার্থে এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে দলের মনোনীত প্রার্থী মুশফিকুর রহমানের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।

এ সময় কসবা-আখাউড়া সংসদীয় আসনে বিএনপির দলীয় প্রতীক ধানের শীষপ্রাপ্ত চূড়ান্ত মনোনীত প্রার্থী সাবেক এমপি মুশফিকুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের লক্ষ্যে গত বছরের ২৯ ডিসেম্বর নাছির উদ্দীন হাজারী কসবা উপজেলা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন ফরম জমা দেন। পরবর্তীতে ৪ জানুয়ারি যাচাই-বাছাইয়ে মনোনয়নপত্রের সঙ্গে সংযুক্ত ভোটার তালিকায় স্বাক্ষর গরমিলের অভিযোগে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা তার মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেন।

এরপর তিনি রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশন (ইসি)-তে আপিল করেন। ১৭ জানুয়ারি রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ের অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত আপিল শুনানি শেষে তিনি প্রার্থিতা ফিরে পান। তবে দলের নির্দেশনার প্রতি সম্মান জানিয়ে ২০ জানুয়ারি তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে তার প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেন।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ