বাংলাদেশ ছাত্র শিবির কেন্দ্রীয় কমিটির দপ্তর সম্পাদক মোঃ সিবগাহতুল্লাহ বলেছেন, আমরা গণভোটই চেয়েছিলাম, ছাত্র সংগঠন হিসেবে আমাদের কাছে মনে হয়েছিলো গণভোট হলেই ভালো হতো কারন আমাদের যে চাওয়াগুলো ছিলো তার বাস্তবায়নটা গণভোটের মাধ্যমে আদায় করে নিয়ে আসতে পারতাম। শুক্রবার দুপুরে কসবা তফজ্জল আলী ডিগ্রী কলেজ মাঠে উপজেলা ছাত্রশিবির আয়োজিত সীরাত অলিম্পিয়াড ক্যারিয়ার গাইডলাইন প্রোগ্রাম ও পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, গনভোট মুলত রাজনৈতিক দলগুলোর দাবী। এখানে অনেককগুলো ক্রিটিক্যাল ব্যপার আছে। যে ক্রিটিক্যাল ব্যাপারগুলোতে কিছু রাজনৈতিক দল নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছেন। আমাদের ছাত্রদের সংশ্লিষ্ট যে দাবী সেটা হলো আমরা চেয়েছিলাম পিএসসি’র সংস্কার, এটাতোও একটি রাজনৈতিক দল নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছেন। এমন কিছু ব্যপার আছে যেগুলো বাস্তবায়ন হয়ে গেলে ছাত্রদের জন্য ইফেকটিভ হতো। তিনি আরও বলেন, গণভোট আগে হলেই ভালো হতো কারন জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে আমরা একটি বড় পরিবর্তন চেয়েছিলাম। বড় পরিবর্তন এনশিওর হওয়ার পরে সাংবিধানিক স্বীকৃতির আসার পরে যদি ভোট হতো তাহলে ওটা আরও বেশী ইফেকটিভ হতো। সরকার যেহেতু একটি সিদ্ধান্ত গ্রহন করেছে আমাদের বিষয়টি কেন্দ্রিয়ভাবে জানানো হবে।
উপজেলা ছাত্রশিবির সভাপতি সাইফুল্লাহ আল আরিফের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, বাংলাদেশ ছাত্রশিবির কেন্দ্রিয় কমিটির দপ্তর সম্পাদক মোঃ সিবগাততুল্লাহ। বিশেষ অতিথি ছিলেন, ছাত্রশিবির কেন্দ্রিয় দাওয়া সম্পাদক মুহাম্মদ মুজাফ্ফর হোসেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রশিবির সভাপতি মুহাম্মদ হাসান মাহমুদ, জামায়াত ইসলামীর ঢাকা মহানগর উত্তর মিডিয়া ও প্রচার সম্পাদক মোঃ আতাউর রহমান সরকার, জেলা জামায়াত ইসলামের মিডিয়া ও প্রচার সম্পাদক কাজী সিরাজুল ইসলাম, উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমির মাওলানা শিবলী নোমানী, সেক্রেটারী গোলাম সরোয়ার ও পৌর সভাপতি মোঃ হারুনুর রশিদ প্রমুখ।
সীরাত অলিম্পিয়াডে উপজেলার ৩৫ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সহস্রাধিক শিক্ষার্থী অংশগ্রন করেন। এদের মধ্যে বিজয়ী হয় ১শ ১০ জন। এদের মধ্যে সেরা ১০ জনকে ৫ হাজার টাকা করে ৫০ হাজার টাকা পুরস্কৃত করা হয়। অপর বিজয়ী ১শ জনকে সম্মাননা ক্রেষ্ট প্রদান করা হয়। এসময় উপজেলা ও ইউনিয়ন শাখার ছাত্রশিবির নেতাকর্মীগনসহ গণ্যমান্য লোকজন উপস্থিত ছিলেন।