ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া) সংসদীয় আসনে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে চরম বিভ্রান্তি। একই আসনে দুইজনকে দলীয় মনোনয়নের চিঠি দেওয়ায় নেতা-কর্মীদের মধ্যে আলোচনা ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ২০ ডিসেম্বর বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক সংসদ সদস্য মুশফিকুর রহমানকে চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া হয়। তবে এর এক সপ্তাহ পর, ২৭ ডিসেম্বর জেলা বিএনপির নেতা কবীর আহাম্মেদ ভূইয়াও দলীয় মনোনয়নের আরেকটি চিঠি পান।
মুশফিকুর রহমানের অনুসারীরা দাবি করছেন, তিনিই চূড়ান্ত প্রার্থী। যাচাই-বাছাই বা আইনগত কোনো কারণে তাঁর প্রার্থিতা বাতিল হলে বিকল্প (দ্বিতীয়) প্রার্থী হিসেবে কবীর আহাম্মেদ ভূইয়ার নাম রাখা হয়েছে।
অন্যদিকে কবীর আহাম্মেদ ভূইয়ার অনুসারীরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে দাবি করছেন, তিনিই দলের চূড়ান্ত প্রার্থী। তারা জানান, তাঁর মনোনয়ন ফরমে ‘সংযুক্তি-২’ উল্লেখ রয়েছে।
নির্ভরযোগ্য সূত্রের বরাতে জানা গেছে, প্রথম প্রার্থীর মনোনয়ন নির্বাচন কমিশন কর্তৃক বাতিল হলে দ্বিতীয় প্রার্থী হিসেবে কবীর আহাম্মেদ ভূইয়া ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচনে অংশ নেবেন।
এই দ্বৈত মনোনয়ন নিয়ে কসবা ও আখাউড়া উপজেলায় বিএনপির নেতা-কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক বিভ্রান্তি দেখা দিয়েছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন একই আসনে দুইজনকে মনোনয়ন দেওয়ার প্রকৃত উদ্দেশ্য কী এবং শেষ পর্যন্ত ভোটের মাঠে দলের প্রকৃত প্রার্থী কে হবেন।
এদিকে আজ রোববার সকালে কসবায় সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মুশফিকুর রহমান এবং দুপুরে কবীর আহাম্মেদ ভূইয়া নিজ নিজ মনোনয়নপত্র জমা দেবেন বলে জানা গেছে।