১৭ বছর পর দেশে শান্তিপূর্ণ ভোটের পরিবেশ ফিরেছে কসবায় বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মুশফিকুর রহমান

মোহাম্মদ শাখাওয়াৎ হোসাইন
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৩৯ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে

বিএনপি মনোনীত প্রার্থী, সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক সচিব বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা আলহাজ্ব মুশফিকুর রহমান বলেছেন, গত ১৭ বছর ধরে দেশের জনগণের মুখে হাসি ছিল না। এই সময়ে মানুষ স্বাধীনভাবে কথা বলতে পারেনি, ভোটাধিকার থেকেও বঞ্চিত ছিল। মামলা, দুর্নীতি ও ভয়ভীতি ছিল মানুষের নিত্যদিনের সঙ্গী। দীর্ঘ ১৭ বছর বিএনপি ও অন্যান্য রাজনৈতিক দলের আন্দোলনের ফলে আজ দেশে একটি শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার ০৫ (ফেব্রুয়ারী) বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার বায়েক ইউনিয়নের নয়নপুর বাজারে আয়োজিত এক নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মুশফিকুর রহমান বলেন, এবারের নির্বাচনে প্রশাসন নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করছে। কারও বাড়িতে পুলিশ যাচ্ছে না, দিনের ভোট রাতে হচ্ছে না। জনগণ এই সুযোগ কাজে লাগাতে চায়। তবে একটি মহল এই সুষ্ঠু নির্বাচনী পরিবেশকে বানচাল করার ষড়যন্ত্র করছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।

তিনি আরও বলেন, কসবা-আখাউড়া এলাকায় জামায়াতে ইসলামী ধারাবাহিকভাবে অভিযোগ করছে যে প্রশাসন নাকি নিরপেক্ষ নয়। এসব অভিযোগের অর্থ হলো, তারা জানে এই নির্বাচনে তাদের জয় নিশ্চিত নয়। কয়েকজন নির্বাচিত হলেও তারা সংসদে গিয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করবে এবং নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা চালাবে।

আসন্ন নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি এমনভাবে ভোট দিতে হবে যেন সারা দেশের মানুষ দেখতে পায় ১৭ বছর পর বাংলাদেশে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট হয়েছে। এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে জনগণ তাদের ভোটাধিকার ফিরে পেয়েছে। বিএনপি জনগণের উন্নয়ন, দুর্নীতিমুক্ত ও মাদকমুক্ত সমাজব্যবস্থা গড়তে চায়। চোরাচালানি ও মামলা বাণিজ্যের রাজনীতি আমরা চাই না। কৃষি ও স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন আমাদের প্রধান লক্ষ্য।

দুর্নীতিমুক্ত সংসদের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, কোনো দেশে ৩০০ জন সংসদ সদস্য পলাতক থাকার নজির নেই। যারা দুর্নীতি করেছে, তারাই আজ পলাতক। দেশ পরিচালনার জন্য সৎ ও দুর্নীতিমুক্ত সংসদ সদস্য প্রয়োজন।

কসবা উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুর রউফ রতনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জনসভায় আরও বক্তব্য রাখেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কৃষক দলের সাবেক সভাপতি নাছির উদ্দিন হাজার, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও কসবা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এবং সাবেক মেয়র মুহাম্মদ ইলিয়াছ, জেলা বিএনপির সহ-সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী নাজমুল হুদা খন্দকার, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. ইকলিল আজম, কসবা পৌর বিএনপির সভাপতি মো. শরীফুল ইসলাম ভূইয়া, সাবেক সভাপতি মো. আলী আশরাফ এবং জমিয়াতে উলামায়ে ইসলাম কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক গাজী ইয়াকুব ওসমানী প্রমূখ।

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ